সূরা আস্ সিয়াম (রমজান স্পেশাল)

রমজান স্পেশাল
সূরা আস্ সিয়াম
পবিত্র লুকিলাম টেস্টামেন্ট
আয়াত ২৫

১। হে নবী নীরব কেন রমাদান তো এসেছে ধরায়।

২। তলোয়ারের মতো বাঁকা চাঁদের দিকে তাকিয়ে হে নবী তুমি একবার উঠে দাঁড়িয়ে বল ,

৩। তুমি তো নিজেই ডুবে আছ আঁধারী আয়োজনে বাজারী স্বপ্নে।

৪। বল, এইসব সিয়াম রজনীতে তোমার হৃদয়ে মৃত্যু আসে মৃত কবিদের মতো।

৫। উম্মেহানির বুক আজ ঘাস! তুমি ঘাসে মুখ দিয়ে চলা চতুস্পদী নবী।

৬। তুমি সার্কাসের আফিংখোর সিংহ তুমি রক্তমাংস ছেড়ে তৃণলতায় সেহরি করো।

৭। গান্ডু নবী তুমি স্বপোঁদে গুঁজে দাও তোমার আসমানী চটি। ৮। জগতে দুঃখ যন্ত্রনায় আমি নিরুপায় খোদা মদ খাই লক্ষকোটি আলোকবর্ষ ধরে।

৯। শিশু ধর্ষণের ফুটেজ দেখে দেখে হাতমারি, নয়তো চোষাই উর্বশীকে দিয়ে।

১০। আমি একটা গান্ডু ভগবান, কামরসে তহবন্দ ভিজিয়ে বসে আছি।

১১। আর তুমি বোকাচোদা নবী এয়েচ মানবতার বাল ছিঁড়তে?

১২। চলবে নাকি দু’পেগ? ইন্টেক মাল আছে, পিওর ভদকা ফ্রম জান্নাতুল আদন।

১৩। ওহ্ তোমার তো আবার তরলে এলার্জি দাঁড়াও শিবুকে ডাকচি, এ্যাই শিবু, ঘরে আচিস নাকি? শিবু — বাবা ভোলানাথ, দেখ কে এসেছে, তোর তুয়াম খুড়ো। একটা কল্কে বানিয়ে দিয়ে যা না বাবা।

১৪। কি বললি, এখন হবে না? হারামজাদা সারারাত পানু দেখবি আর এখন পরে পরে ঘুমাবি। যত্তোসব!

১৫। যাকগে, বলছি লুকিলাম আজকে আমার এখানেই সেহরিটা খেয়ে যেও কেমন! শুয়োরে গোস্তের কালাভুনা হচ্ছে। আর তুমি এইসব ঢেঁড়সগিরি বাদ দিয়ে ননভেজ হয়ে যাও বুঝলে।

১৬। ততক্ষণ আমরা এসো দুভায়ে মিলে উর্বশীর তাহাজ্জুদি ড্যান্স দেখি। আহা, কী চিকন কোমর আর তানপুরার কচি খোলের মতো… মাইরি বলছি কয়েক হাজার বছর ধরে দেবতাদের টোপাটেপিতেই উন্নতি হলো তারপর প্রোমোশান দিয়ে আমার হেরেমে নিয়ে নিলুম।

১৭। আসলে হয়েচে কি, আমি হচ্ছি যাকে বলে দি অলমাইটি আমার সবকিছু একটু বড় বড় না হলে চলেনা বুজলে।

১৮। ইন্জয় মাই ডিয়ার প্রোফেট ইন্জয়! মর্ত্যে টর্ত্যে বেশি যেওনা, মানুষ মর্ত্যে যায় মরতে বুজলে কিছু? আর একটা কথা, তোমার জন্য জান্নাতুল ফ্যাদাহাউজিঙে একটা ডুপ্লেক্স বুক করেছি। যতদিন খুশি থাকতে পার। তোমার বিবি কিংবা উম্মেহানি অথবা যাকে খুশি নিয়ে থাকতে পার। লাগলে হুরদের জন্য আমার অফিসের হটলাইনে জাস্ট কল ওয়ান্স। আধঘন্টার মধ্যে মাংশ পৌঁছে যাবে সিংহের গুহায় হে হে।

১৯। একটা নতুন প্রোজেক্ট হাতে নিয়েছি বুজলে, আইডিয়াটা আরবের এক নবীর। শালা গান্ডু আরবি মাল *দে *দে অম্বল অরুচি ধরিয়ে ফেলেছিল। আমাকে বলল গডস্যার দেখুন সব পুরুষ এক না।

২০। আবার সবার চাহিদাও একেক রকম। কেউ মোটা পছন্দ করে আবার কেউ রোগা। কেউ শিশু পছন্দ আবার কারও পছন্দ বাচ্চা ছেলে। কেউ রাশিয়ান হুর পেলে বাগবাকুম করে আবার কেউ নিগ্রো পাইলে কুপায়া ভাঁজ করে ফেলে।

২১। তাই বলছিলাম কি, যার যার চাহিদা মতো মাল তৈরি করলে কেমন হয়?

২২। ধরুন একজনের মাথায় সেন্সর বসিয়ে ওর কী কেমন মাল পছন্দ সেটা রেকর্ড করে সেই মতো হুর গেলমান ল্যাবে তৈরি হবে।

২৩। একবার ভাবুন ট্রিলিয়ন ডলারের বিজনেস, যখনই যার পুরাতন ভার্সনে অরুচি এসে যাবে তখনই নতুন মালের অর্ডার দিবে। আর মালের ডিজাইন দিবে কাস্টমার নিজেই। জাস্ট থিংক স্যার।

২৪। আমিও শুরু করে দিলাম হুর গেলমান মডিফিকেশন প্রোজেক্ট। জাস্ট থিংক তুয়াম, ইটস এ্যামাজিং।

২৫। ধর আজ সকালে মনে হলো তুমি একটা ইনোসেন্ট দেখতে বাচ্চা মেয়েকে দিয়ে চোষাবে, জাস্ট অর্ডার ফর ইট এন্ড গেট ডেলিভারি সুন।

২৬। একি তুমি মাম্মু বমি করচ কেন, আরে মদটা তো গিলছি আমি নাকি? উফ তোমাকে নিয়ে আর পারি না এটুকু জার্নিও সহ্য হয় না। দাঁড়াও যীশুকে ডাকচি। এ্যাই যীশু, তোর খুড়োকে একটু দেখে যা না বাবা….

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.